April 20, 2026, 12:57 am

নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জে পুলিশের নাম বাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে মিঠু নামের এক চাঁদাবাজ জানাযায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাইলো এলাকার সি.এন.জি পরিবহন চাঁদাবাজ মিঠু কয়েক বছর যাবত পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কয়েক শত সি এন জি থেকে পুলিশের নামে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। প্রতিটি সি এন জি থেকে এক হাজার থেকে ১৫ শত টাকা নিয়ে থাকে বলে জানা যায়।

সি এন জি চালক শুত্রে জানাযায়, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, চট্রগ্রাম মহাসড়ক সহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচলে পুলিশ তাঁদের কোন প্রকার ঝামেলা করবেননা এই শর্থে সিএনজি চালকদের কাছ থেকে মাসিক হারে চাঁদা নিয়ে থাকে বলে জানায় চালকরা।আর কোন চালক যদি টাকা দিতে গরি মুশি করে তাদেরকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে বলে জানান সি এন জি চালকরা। তথ্য শুক্রে জানাযায় চাঁদাবাজ মিঠু নারায়ণগঞ্জ, ও ঢাকা জেলার নাম্বার লাগানো সিএনজি ঢাকা সহরে চলবে এই শর্থে ঢাকা মোট্রো এলাকার কিছু ট্রাফিক পুলিশ কে মেনেজ করে নারায়ণগঞ্জ, ও ঢাকা জেলার নাম্বার লাগানো সিএনজির চালকদের কাছ থেকে মাসিক ৪ হাজার টাকা করে নিয়ে তাদেরকে অবৈধ ভাবে চলাচলের সুযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিত লক্ষ লক্ষ টাকা। ঢাকা সহরে জেলা ও অন্য জেলার সিএনজি চলাচলে নিষেধ থাকায় নারায়ণগঞ্জে চালাচ্ছে মিঠুর চাঁদাবাজি।এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা টাকার রাজস্ব টাকায় লালে লাল হচ্ছে মিঠুর মতো চাঁদাবাজরা। চাঁদাবাজির ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশের টি আই মশিউর রহমান মানের সাথে কথা হলে তিনি জানান বিসয়টি আমার জানা নেই কেউ অভিযোগ করলে ব্যাবস্হা নিব। মিঠুর মোবাইলে একাদিক বার ফোন দিলেও ফোন ধরেনি।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা